দেশবিভাগের ৭০ বছর পূর্তি ও হিন্দু বীর গোপাল মুখার্জী স্মরণে হিন্দু সংহতির ঐতিহাসিক পদযাত্রা

 

4বামপন্থীরা তাঁকে গুন্ডা বলেছিলো। দীর্ঘ ৩৪ বছর এ রাজ্যে বামশাসনে পশ্চিমবাংলার রক্ষাকর্তার কপালে জুটেছে গুন্ডার বদনাম, অপমান। পরবর্তী প্রজন্মও তাঁকে গুন্ডা বলেই চিনতে শিখেছে। বামপন্থী শাসন ও তাদের ঐতিহাসিকদের ইচ্ছাকৃত এই ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার হিন্দু সংহতি। ১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্ট। এই দিনেই মুসলিম লিগের ডাকে স্বতন্ত্র পাকিস্তানের দাবিতে কলকাতায় ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’ হয়েছিল। সেদিন কলকাতার রক্ষাকর্তা হয়ে উঠেছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। এই দিনটির এবং গোপাল মুখোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা-সন্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে “হিন্দু সংহতি” বুধবার এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করে কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে। “হিন্দু সংহতি”-র সভাপতি তপন ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাশ্মিরী পণ্ডিত সুশীল পণ্ডিত এবং গোপাল মুখোপাধ্যায়ের দৌহিত্র শান্তনু মুখোপাধ্যায়।6

‘হিন্দু সংহতি’ কত্তৃক আয়োজিত মহা মিছিলটি অত্যন্ত সুষ্ঠ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে দুপুর ২টো’র সময় শুরু হয়। এবং হেদুয়ায় বিকেল সাড়ে তিনটে’য় শেষ হয়। সমগ্র বিষয়ে পুলিশ তথা প্রশাসনিক তৎপরতা ও সহযোগিতা ছিল চোখে পড়ার মত।
হিন্দু সংহতির মাননীয় সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ মিছিলটির শুভারম্ভ করেন।
উক্ত পদযাত্রার মুখ্য অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন পানুন কাশ্মীরে’র শ্রী সুশীল পণ্ডিত। বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেছিলেন স্বর্গীয় গোপাল মুখোপাধ্যায়ের দৌহিত্র শ্রী শান্তনু মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন প্রখ্যাত লেখক তথা আইনজীবী শ্রী শান্তনু সিংহ।
মূল আকর্ষণ ও সভার প্রধান বক্তা হিসেবে সংগঠনের মাননীয় সম্পাদক শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য ছাড়াও অবশ্যই উপস্থিত ছিলেন সমসাময়িক ভারতবর্ষের আপামর হিন্দু নয়ন মণি ও ‘হিন্দু সংহতি’র মাননীয় সভাপতি শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়।8
বক্তারা তাদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে স্বর্গীয় হিন্দু ত্রাতা শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ সহ ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান ইসলামিক আগ্রাসনের বিপদ ও তার প্রতিকারের বিভিন্ন পথনির্দেশিকার সন্ধান দেন।
শ্রী ঘোষের জ্বালাময়ি বক্তৃতা ও তৎসহ মুহুর্মুহু সমবেত হিন্দুকন্ঠের গগনবিদারী বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, বার বার যেন তুবড়িতে আগ্নিসংযোগের উদাহরণ মনে করিয়ে দিচ্ছিল। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই হেদুয়া চত্বর যেন হিন্দু-গেরুয়ার ত্যাগ-তপস্যা ও শাশ্বত বলিদানের এক আদর্শ ধাত্রীভুমি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
সভামঞ্চে বসিরহাট দাঙ্গায় সর্বস্ব লুঠ হয়ে যাওয়া তন্ময় গায়েন ও লাভ জেহাদে আক্রান্ত মালদার গাজোলের আদিবাসী যুবতি সোনমণি হেমব্রম ও তার শিশুকন্যা’র জন্য আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেন সংগঠনের প্রাণপুরুষ শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়।11
বিভিন্ন প্রতিকূলতা’র প্রতিবন্ধকতা ছিন্ন করে, মাত্র এক সপ্তাহের প্রস্তুতি’তে সম্পুর্ন অরাজনৈতিক ভাবে আয়োজিত প্রায় কয়েক হাজার বিভিন্ন বয়েসের তরুনহৃদয়ের এই মহা মিছিল ছিল সম্পুর্ন ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জেহাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক স্বতঃস্ফুর্ত ও তেজোদীপ্ত বহিঃপ্রকাশ মাত্র। পাশাপাশি এই মহা মিছিলে যোগদানকারিণী যুবতী ও মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি সম্পুর্ন বিষয়টিকে একটি ভিন্ন মাত্রা প্রদান করে, যা অত্যন্ত যুগোপযোগী এবং প্রাসঙ্গিকও বটে।

ভিডিও দেখুন :

২৩ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে নাগরিকত্ব দিল রাজ্য সরকার

তাদের কেউ এই রাজ্যে পাঁচ বা দশ বছর ধরে সরকার পরিচালিত হোমগুলিতে রয়েছেন। তারা সকলেই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে এদেশে প্রবেশ করেছিলেন। তারা সকলেই রোহিঙ্গা মুসলিম। এতদিন তাদের কোনো পরিচয় পত্র বা নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র ছিলো না। কিন্তু রাজ্য সরকারের উদ্যোগে রাষ্ট্রসংঘের সহায়তায় মোট ২৩ জন নাগরিকত্ব পেলেন। এরা এবার দিল্লী বা জম্মু শরণার্থী শিবিরে থাকতে পারবেন অথবা ভারতের যে কোনো প্রান্তে স্থায়ীভাবে বাস করতে পারবে। এদের সবার বয়স ১৭ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। উল্লেখ্য,এই ২৩ জনের মধ্যে মেদিনীপুরের হোমে ৩ জন, হাওড়ার হোমে ১৩ জন এবং মুর্শিদাবাদে ৭ জন রয়েছে। রাজ্য শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান অনন্যা চক্রবর্তী বলেন ” রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গাদের একটা পরিচয় দরকার ছিল। হোমে থাকতে থাকতে তাদের মধ্যে একটা অস্থির ভাব চলে এসেছিলো। রাজ্যের উদ্যোগে তারা একটা পরিচয় পেলো। সাধারণ জীবন কাটাতে তাদের আর কোনো সমস্যা রইলো না”। এখন দেখার বিষয় রাজ্যের এই উদ্যোগের ফলে রোহিঙ্গা মুসলিমদের স্রোত এই রাজ্যমুখী হয় কিনা।

জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া ইসলাম বিরোধী, দাবি মৌলবীদের

national-anthem-of-india-in-hindi-free-downloadজাতীয় সঙ্গীত গাইবেন না, তা ইসলাম বিরোধী। একইভাবে ভিডিও রেকর্ড করাও ইসলাম সম্মত নয়। উত্তরপ্রদেশ সরকার রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে ১৫ অগাস্ট জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া ও অনুষ্ঠানের ভিডিও রেকর্ডিং অত্যাবশ্যক ঘোষণার পরদিনই এ কথা বললেন মুসলমান মৌলবীরা। তাঁদের বক্তব্য, স্বাধীনতা দিবসকে দেশপ্রেমী দিবস হিসেবে পালন করুন, আপত্তি নেই কিন্তু জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া চলবে না।
মৌলবীদের দাবি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জাতীয় সঙ্গীত লেখেন ব্রিটিশ রাজা পঞ্চম জর্জের উদ্দেশে। কিন্তু ইসলাম বলছে, অধিনায়ক স্বয়ং আল্লা, কোনও ব্যক্তি নয়। জাতীয় সঙ্গীতকে অসম্মান করা হচ্ছে না কিন্তু ধর্মীয় অনুভূতির কারণে তা গাওয়া সম্ভব নয়।
মৌলবীদের আরও বক্তব্য, শরিয়া অনুয়ায়ী ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি ইসলাম বিরোধী। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ সরকার মাদ্রাসায় সেই নিয়ম ভাঙার কথা বলছে। তাই তাঁদের দাবি, মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হোক, মিষ্টি বিতরণ চলুক, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা মনে করাও হোক কিন্তু গান হোক ইকবালের সারে জাঁহা সে আচ্ছা, জন গণ মন নয়। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার নির্দেশ প্রত্যাহারের জন্য যোগী আদিত্যনাথকে অনুরোধ করেছেন তাঁরা। তা না হলে এই নির্দেশ অমান্য করা ছাড়া মুসলমানদের আর উপায় থাকবে না।

নরপশুর দ্বারা ধর্ষিত সাত বছরের শিশুকন্যা

hoogly-rapeখেলনা ও খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে এনে সাত বছরের এক শিশু কন্যার উপর নারকীয় অত্যাচার চালাল এক নরপশু। নাম শেখ সাহেব। ঘটনার অসুস্থ মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটির বাবা বিজয় চৌধুরী অভিযুক্তের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু অভিযুক্ত শেখ সাহেব ঘটনার পর থেকেই পলাতক।হুগলীজেলার চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত দেবানন্দপুরের কাজী কাঙ্গা পাড়ায় এমনই নক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ই আগস্ট।
সংহতি সংবাদের প্রতিনিধিকে বিজয়বাবু জানান , ঘটনার দিন সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ তার সাত বছরের শিশুকন্যা বাড়ির সামনেই খেলা করছিল। এমন সময় তাদেরই প্রতিবেশী ৪৫ বছর বয়স্ক শেখ সাহেব নানা অছিলায় মেয়েকে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর দরজা বন্ধ করে তার ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। ফলে মেয়েটির নিম্নাঙ্গে অসহ্য যন্ত্রনা শুরু হলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত তাকে চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাক্তাররা তার অবস্থার অবনতি দেখে তৎক্ষনাৎ ভর্তি করে নেয়। মেয়ের কাছেই তিনি জানতে পারেন এই অপকীর্তির নাম। চুঁচুড়া থানাতে অভিযুক্ত শেখ সাহেবের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই শেখ সাহেব পলাতক। ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবী, নরপশু শেখ সাহেবকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

ভারতে হামলা চালাতে হাত মেলাচ্ছে পাকিস্তানের ৩০টি সংগঠন, রিপোর্ট

ইসলামাবাদ, ১ অগাস্ট : আরও বেশি করে ভারতে হামলা চালাতে এবার জোট বাঁধছে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠন l রিপোর্টে প্রকাশ, হিজবুল মুজাহিদিন, লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদের মত একধিক জঙ্গি সংগঠনের নাম রয়েছে ওই তালিকায় l

pakistanজানা যাচ্ছে, ভারতে হামলা চালাতে পাকিস্তানের ৩০টি জঙ্গি সংগঠন ও ধর্মীয় সংগঠন হাত মেলাচ্ছে l ওই সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে দাইফা-ই-পাকিস্তান l জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তইবা, জমিয়ত-উল-মুজাহিদিনের মত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গেই হাত মেলাচ্ছে সেখানকার বেশ কিছু ধর্মীয় সংগঠনও l সম্প্রতি ভারতীয় গোয়েন্দারা এমনই একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছেন l

ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার এবং কাশ্মীরিদের মধ্যে ভারত বিরোধিতার ভিত আরও শক্ত করতেই পাকিস্তানে বসে হাত মেলাচ্ছে ওই ৩০টি সংগঠন একযোগে l হিজবুল কম্যান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকে যাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জম্মু কাশ্মীর, তার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালানো হয়েছে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির তরফে l

রিপোর্টে আরও প্রকাশ, আমেরিকা হাফিজ সইদ এবং হিজবুল প্রধান সৈয়দ সালাহউদ্দিনকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দেওয়ার পর থেকেই, পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বসে ভারতের বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিষ উগরে দিচ্ছে  জঙ্গি পান্ডারা l পাশাপাশি হাফিজ সইদের ছেলের সঙ্গে একযোগে ভারতের বিরুদ্ধে যুব সম্প্রদায়কে উসকে দিচ্ছে আইএসআই প্রধান হামিদ গুলের ছেলে l

ভারতের বিরুদ্ধে যাতে কাশ্মীরের যুব সম্প্রদায়কে উসকে দেওয়া যায়, তার জন্য সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ শুরু করেছে পাকিস্তানি জঙ্গিরা l সেই সঙ্গে চলছে পাক রেঞ্জার্সদের ভারতীয় সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা l পাকিস্তানি সেনার সাহায্যেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর পেরিয়ে ক্রমাগত ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গিরা l

পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনপ্রিয় সাংবাদিক ফারমান আলি বলেন, পাকিস্তানের কুকর্মের বিরুদ্ধে যাঁরা আওয়াজ তুলেছেন, তাঁদের ওপর অত্যাচার করছে পাক সেনা l না হলে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের l গিলগিট এবং বালটিস্তানের মানুষের কণ্ঠরোধ করার জন্যই পাকিস্তানি সেনা দমনপীড়ন শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন ওই বিশিষ্ঠ সাংবাদিক l

চিত্র ও খবর সৌজন্যে : http://www.india.com

মালদার সামশেরগঞ্জে তিন লক্ষ্য টাকার জাল নোট উদ্ধার

গত ৬ ই আগস্ট সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ তিন লক্ষ টাকার জাল নোটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল। ধৃতের নাম ইজরাইল শেখ(২১)। ধৃতের বাড়ি মালদা জেলার বৈষ্ণবনগর থানার পারদেওনাপুর হিজলতলা গ্রামে। রবিবার ৫ ই আগস্ট পুলিশ অভিযুক্তকে সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ান গঙ্গা রোড স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ ধৃতের কাছ থেকে দেড়শোটি download1দুহাজার টাকার নোটসহ মোট তিনলক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করে। ধৃত ইজরাইল বাংলাদেশ থেকে জালনোটগুলি নিয়ে এসেছিলো ঝাড়খণ্ডে পাচার করার উদ্দেশ্যে। সে জালনোটগুলি নিয়ে ধুলিয়ান ফেরিঘাট পার হয়ে ধুলিয়ান গঙ্গা রোড স্টেশনে দাঁড়িয়েছিল ঝাড়খণ্ডের পাকুড়ের এক জালনোট কারবারিকে দেবার জন্যে। তখন পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরা করে ঝাড়খণ্ডের জালনোট কারবারির খোঁজ পেতে চাইছে পুলিশ।

ঢাকায় হিন্দু যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ec_page_3_3বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় হিন্দু যুবক বিশ্বজিৎ দাসকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতার মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখলো বাংলাদেশ হাইকোর্ট। এর আগে ২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর ঘটে যাওয়া এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিলো দ্রুত বিচারের ট্রাইবুনাল। রবিবার ৬ই আগস্ট বিচারপতি মহম্মদ রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চ নতুন করে এই রায় শুনিয়েছেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের। যে ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে তারা হল-খন্দকার ইউনুস আলী,তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়েদুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হোক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশারফ হাসান।
২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১২ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন পুরানো ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে দিনের আলোয় নির্মমভাবে খুন হন বিশ্বজিৎ দাস।

উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার সন্দেহভাজন বাংলাদেশি জঙ্গি

12উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগর থেকে এক বাংলাদেশি জঙ্গিকে গ্রেফতার করল সে রাজ্যের জঙ্গি দমন শাখা (এটিএস)। ধৃতের নাম আবদুল্লা। সন্দেহ করা হচ্ছে, ধৃত এই জঙ্গি আনসারুল্লা বাংলা টিম-এর সদস্য। আনসারুল্লা বাংলা টিম আল কায়দার আদর্শে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশের একটি জঙ্গি সংগঠন।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৬ই অগাস্ট, রবিবার মুজফফনগরের চারথাবাল এলাকার কুতেসারা থেকে গ্রেফতার করা হয় আবদুল্লাকে। জঙ্গি দমন শাখার আইজি অসীম অরুণ জানান, আবদুল্লা ২০১১ থেকে সাহারানপুরের দেওবন্দ এলাকায় ডেরা বেঁধেছিল। মাস খানেক আগে কুতেসারাতে চলে আসে। ভুয়ো পরিচয় দিয়ে আধার কার্ড ও পাসপোর্টও তৈরি করিয়েছিল সে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আবদুল্লার কাজ ছিল জঙ্গিদের এ দেশে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা এবং তাদের গোপন আস্তানার ব্যবস্থা করা। মূলত বাংলাদেশি জঙ্গিদেরই ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করত সে। অনেক দিন ধরেই আবদুল্লার খোঁজ চালাচ্ছিল এটিএস। মুজফফরনগরে আবদুল্লার লুকিয়ে থাকার খবর গোপন সূত্রে পায় তারা। সাহারানপুর থেকে এটিএস-এর একটি দল মুজফফরনগর এবং শামলি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার পর এ দিনই পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মুজফফরনগরে অভিযান চালায় এটিএস। আবদুল্লার বাড়ি থেকে একাধিক ভুয়ো আধার কার্ড এবং ১৩টি ভুয়ো পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এটিএস

লাভ জেহাদের শিকার রিনা বর্মন

images1ঘটনাটি কুচবেহারের শীতলকুচি ব্লকের শীতলকুচি থানার অন্তর্গত পাগলাতীরের। ওই এলাকার বাসিন্দা রিনা বর্মন (নাম পরিবর্তিত ,বয়স ১৬ বছর , পিতা -কৃষ্ণ বর্মন ) স্থানীয় নাককাটি উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়তো। কিন্তু গত ২৭ শে জুলাই সে দক্ষিণ শীতলকুচির বাসিন্দা লাল মিঞার সঙ্গে পালিয়ে যায়। ২৮ শে তারিখ তার পরিবারের লোকজন মেয়ে ফিরে পাবার অভিযোগ জানাতে শীতলকুচি থানাতে গেলে সেই সময় থানাতে থাকা ডিউটি অফিসার এস আই আবেদ আলি অসযোগিতা করেন বলে তার বাবা-মা জানিয়েছেন । এমনকি তিনি FIR করতে চান নি এবং কোনো FIR নম্বরও দেননি। এমত অবস্থায় তৃষ্ণার পরিবার ঘটনাটি লিখিতভাবে মাথাভাঙ্গা এসডিও কে জানিয়েছেন। এতদিন কেটে গেলেও পুলিশের অবহেলায় নাবালিকা রিনা বর্ম্মন এখনও উদ্ধার হয়নি।