_acbc3a1e-4380-11e7-a718-97a052f84fc6প্রসূন মৈত্র : খোলা বাজারে হত্যার উদ্দেশ্যে গবাদি পশু কেনাবেচা নিষিদ্ধ করার কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা সার্কুলারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কেরলের কান্নুরে প্রকাশ্যে গোহত্যা করে, গোমাংস খাওয়ার উৎসব পালন করলো কেরালা যুব কংগ্রেস। হ্যাঁ, এই সেই কান্নুর যেখানে জনসংখ্যার প্রায় ষাট শতাংশ হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও সরকারি প্রশ্রয়ে, জেহাদিদের হাতে নির্বিচারে খুন হন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের একের পর এক স্বয়মসেবক।
কোন হিন্দুবহুল এলাকায় গোমাংস উৎসব পালন করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল সেখানে ইসলামিক আধিপত্যের বিস্তার ঘটানো। কাশ্মীর থেকে হিন্দুদের বিতারন শুরু করার আগে, ১৯৮৬ সালে অনন্তনাগের লালচকে, মুফতি মহম্মদ সইদের তৎকালীন ঘনিষ্ঠ, কাজী নিসার একইভাবে প্রকাশ্য গরু জবাই করেছিল। কলকাতার রাজপথেও একইভাবে বিফ ফেস্টিভ্যালের নামে জেহাদি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করেছিল সিপিএমের বিকাশ ভট্টাচার্য এবং তৃণমূলের চাটুকার, সুবোধ সরকার। সেকুলারিজমের আড়ালে ইসলামিক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা শুরু হয়। সৌভাগ্যবশত, জন অধিকার মঞ্চ তাদের সেকুলারিজমকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে পালটা পর্ক ফেস্টিভালের আয়োজন করলে তাদের সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়না।
ভারতীয় সংবিধানের ৪৮ নম্বর ধারার নির্দেশমূলক নীতি অনুসারে দেশে গোহত্যা বিরোধী আইন চালু হওয়া উচিত। খোদ সুপ্রিম কোর্ট, ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৫ সালে একটি যুগান্তকারী রায়ে গোহত্যার বিরুদ্ধে সংবিধানের বিধানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও মেকিধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের বিলাপের বিরাম নেই।
18700336_10154877622769865_4289819122488664310_nকোন হিন্দুবহুল এলাকায় প্রকাশ্যে গোহত্যা করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল ইসলামিক আধিপত্য বিস্তার। এটা প্রথম ধাপ, পরবর্তী ধাপগুলি হল মন্দির আক্রমণ এবং হিন্দু নারীদের সম্মানহরণ। কাংলাপাহাড়ির মত অনেক জায়গাতেই মুসলমানরা প্রকাশ্যে গরু কুরবানি করবেনা এই শর্তে হিন্দুরা দুর্গাপূজা করা থেকে বিরত থাকেন। আর মেরুদণ্ডহীন প্রশাসন, যারা তারক বিশ্বাস বা সব্যসাচী দাসদের মত হিন্দুদের বিরুদ্ধে মুসলিমরা কোন অভিযোগ করলে কোমরবেঁধে নেমে পরে তাদের ক্ষমতা হয়না প্রকাশ্যে গোহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের 295A ধারা প্রয়োগ করার। এই কারণেই সিদ্দিকুল্লার চৌধুরীর সভায় কলকাতা পুলিশের তিনজন IPS অফিসার সহ এক ডজন পুলিশকর্মচারী বেধড়ক মার খাওয়ার পরেও পুলিশের একটা FIR দায়ের করারও সাহস হয়না বরং আজ, ভাগ্যের পরিহাসে, সেই তিনজন IPS অফিসার, ডি.পি. সিং, সুপ্রতীম সরকার এবং মুরলীধর শর্মাকে সেই সিদ্দিকুল্লাকেই স্যালুট ঠুকতে হচ্ছে।