hsb1চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে রবিবার রাতে ভারত হেরে যাওয়ার পরপরই ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে রাস্তায় মিছিল করল এক দল ‌যুবক। ভারতে থাকছে, ভারতেরই খাচ্ছে, ভারতেই পড়ছে। অথচ, তাদেরই মুখে দেশবিরোধী স্লোগান। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের পর উত্তেজনা ছড়াল চন্দননগরের উর্দিবাজার এলাকায়। এলাকাটি রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের কেন্দ্রের অধীন। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উর্দিবাজার। সূত্রের খবর, রাতে উর্দিবাজারে একটি গোষ্ঠী পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়ে সেদেশের পতাকা নিয়ে রাস্তায় নামে। শুরু হয় পাকিস্তানের বিজয়োল্লাস। বাজি ফাটিয়ে, ব্যান্ড বাজিয়ে নাচ গান করতে থাকে এক দল ‌যুবক। কারোর গায়ে আবার ছিল পাকিস্তানের জার্সিও। দেখে মনে হবার উপায় নেই, তারা ‌যে এদেশেরই বাসিন্দা। তাদের হাবভাব, আচরণে স্পষ্টতই প্রমাণিত, ভারতের হারে তারা আনন্দিত। তারা পাকিস্তানেরই সমর্থক। পাকিস্তানের জয়ের সেলিব্রেশন। বাজি ফাটিয়ে, ব্যান্ড বাজিয়ে নাচ গান করতে থাকে ওই ‌যুবকরা।
এই বিজয়-উৎসবের প্রতিবাদ জানিয়ে লাল বাগান ও ঝাউবাগান এলাকার অন্য একটি গোষ্ঠী রাস্তায় নামে। বচসা থেকে শুরু হয় দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট। একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ও বোতল ছোড়ে। রক্তাক্ত হয়ে ওঠে এলাকা। শুরু হয় বোতল ছোরাছুরি৷ ইটবৃষ্টিও হয়েছে রাতে৷ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ও বোতল ছোঁড়ে৷ রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতুল ভি ও চন্দননগর মহকুমা পুলিশ সুপার রানা মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী ঘটনস্থলে আসেন। নামানো হয় র‍্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। সংঘর্ষে উভয় গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। উত্তেজনা থাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। এলাকা থমথমে।