19510418_398226463904832_1856344452870030455_nসোনাখালী বাজারে প্রশাসনের সমস্ত বাধা অতিক্রম করে বিপুল জনসভার মঞ্চে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে এবার আরও কড়া বার্তা দিল হিন্দু সংহতি। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর সোনাখালিতে সভা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে কার্যত হুঁশিয়ারিই দিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি তপন ঘোষ। তিনি হিন্দুদের রাম ভক্ত হনুমানের সঙ্গে তুলনা করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “মমতা মুসলিম তোষণ করতে গিয়ে হিন্দুদের প্রতি অবিচার করবেন না। আমরা হনুমানের জাত। আমাদের ল্যাজে আগুন দিলে লঙ্কার মতো বাংলাও জ্বলে যাবে”।
19601215_1439551639472618_2370890135834353195_nতবে এই সভা করার জন্য বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন করলেও কোনও অনুমতি দেওয়া হয় নি। এলাকায় ইদের মিলন অনুষ্ঠান ও এই সভা করতে গিয়ে যাতে কোনরকম অশান্তি না ছড়ায় সেই কারনেই প্রশাসন অনুমতি দেয়নি বলে জানা গেছে। এলাকায় ইদ- মিলন উৎসব ও জলসার অনুমতি দিলেও এই সভা করার অনুমতি না পাওয়ায় সোনাখালি বাসস্ট্যান্ডে ট্রাকের উপর সভা করে পুলিশ-প্রশাসনের সমালোচনা করেন তপন ঘোষ সহ হিন্দু সংহতির নেতারা।
তপন ঘোষ বলেন, “ বাংলাদেশের হিন্দুদের মতো যাতে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের অবস্থা না হয়, সেই কারনেই হিন্দু সংহতি লড়ছে। রাজনীতির রঙ ভুলে শুধু মাত্র হিন্দুত্ব রক্ষা করতেই সমস্ত হিন্দু ভাই বোনকে একজোট হতে হবে। আমাদের এই সভা কোনও বিজেপির সভা নয়, আমাকে বিজেপি বলে ভুল করবেন না। সব রাজনৈতিক দলের মতই বিজেপিও টাকা কামায়। রাজনৈতিক দলাদলি ভুলে মুসলমান তোষণ বন্ধ হোক। এক দেশ, এক আইন মানতে হবে সকলকে”।
19430153_1439551566139292_7710940704650907929_nএদিনের সভায় প্রায় দশ হাজারের বেশী মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। সভা ঘিরে উত্তেজনা থাকায় প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছিল এলাকা জুড়ে। । সভায় তপন ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির রাজ্য সাধারন সম্পাদক দেবতনু ভট্টাচার্য সহ বিভিন্ন রাজ্য ও জেলা স্তরের নেতারা। ওই অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে হিন্দু সংহতির কর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় মারধর করা হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।