About

IMG_0768.pngজাতীয়তাবাদী নেতা শ্রী তপন ঘোষের নেতৃত্বে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার মাত্র ছয় বছরের মধ্যেই আজ হিন্দু সংহতি পশ্চিমবাংলার হিন্দুজনমানসের কাছে এক আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সুন্দরবন থেকে শান্তিপুর, বোলপুর থেকে বারাসাত, যেখানেই হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছে, হিন্দু সংহতির কর্মীরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেদাভেদ ভুলে শুধুমাত্র হিন্দু পরিচয়ের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে সংকল্পবদ্ধ এরকম আর একটিও সংগঠনের অস্তিত্ব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নেই।

কোন জায়গা থেকে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের খবর পেলে হিন্দু সংহতি মূলতঃ তিনটি স্তরে কাজ করে থাকে  –

১) ঘটনার প্রতি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক অধিকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা।

২)  ঘটনাটির বিশদ বিবরণ জনসাধারনের কাছে প্রচার করে তাদেরকে আগত বিপদ সম্পর্কে অবহিত করা । এবং

৩) আক্রান্তদের কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা।

দেগঙ্গা হোক বা নলিয়াখালী, পাঁচলা হোক বা সন্দেশখালী যেখানেই হিন্দুরা জেহাদী আক্রমণের শিকার হয়েছে, হিন্দু সংহতির অকুতোভয় সদস্যরা গিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।পেট্রোডলারে পুষ্ট পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলি বরাবরই জেহাদী আক্রমণ নিয়ে নীরব থেকেছে।তাই হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠার আগে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে সকলের অজান্তে যেসব জেহাদী পরিকল্পনা সহজেই রূপায়িত হয়ে যেত আজ সেগুলো শুধু সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে তা ই নয়, সেগুলিকে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে কঠিন প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।