বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট অধীর চৌধুরীর

article-2516130-19BE8C9300000578-746_306x423বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর সাম্প্রতিক হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস। গত শনিবার কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ প্রেসিডেন্ট অধীর চৌধুরী জানান, তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সুসম্পর্ককে ব্যবহার করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষ প্রস্তাব পাসের লক্ষ্যে রাজ্য কংগ্রেসের নির্বাহী কমিটির দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বৈঠকের এক ফাঁকে পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট অধীর চৌধুরী এ কথা বলেন। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের জামায়াতকে মৌলবাদী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, এমন মৌলবাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশ থেকে বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে। কংগ্রেসের বিশেষ প্রস্তাবে পশ্চিমবঙ্গ যেন সন্ত্রাসবাদী ও মৌলবাদীদের স্বর্গে পরিণত না হয়, তা দেখতে বলা হয় ক্ষমতাসীন তৃণমূলকে।

অধীর চৌধুরী সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, সংখ্যালঘু হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারমনা নাগরিকদের ওপর বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তি একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। গত শুক্রবার তিনি জানতে পারেন, ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের হিন্দু পুরোহিতকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সুষমা স্বরাজকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশ্চুপ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট অধীর চৌধুরী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সুসম্পর্কের কথা সবারই জানা। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পর্কের কথাও কারো অজানা নয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা চন্দননগরে

hsb1চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে রবিবার রাতে ভারত হেরে যাওয়ার পরপরই ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান তুলে রাস্তায় মিছিল করল এক দল ‌যুবক। ভারতে থাকছে, ভারতেরই খাচ্ছে, ভারতেই পড়ছে। অথচ, তাদেরই মুখে দেশবিরোধী স্লোগান। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের পর উত্তেজনা ছড়াল চন্দননগরের উর্দিবাজার এলাকায়। এলাকাটি রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের কেন্দ্রের অধীন। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উর্দিবাজার। সূত্রের খবর, রাতে উর্দিবাজারে একটি গোষ্ঠী পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়ে সেদেশের পতাকা নিয়ে রাস্তায় নামে। শুরু হয় পাকিস্তানের বিজয়োল্লাস। বাজি ফাটিয়ে, ব্যান্ড বাজিয়ে নাচ গান করতে থাকে এক দল ‌যুবক। কারোর গায়ে আবার ছিল পাকিস্তানের জার্সিও। দেখে মনে হবার উপায় নেই, তারা ‌যে এদেশেরই বাসিন্দা। তাদের হাবভাব, আচরণে স্পষ্টতই প্রমাণিত, ভারতের হারে তারা আনন্দিত। তারা পাকিস্তানেরই সমর্থক। পাকিস্তানের জয়ের সেলিব্রেশন। বাজি ফাটিয়ে, ব্যান্ড বাজিয়ে নাচ গান করতে থাকে ওই ‌যুবকরা।
এই বিজয়-উৎসবের প্রতিবাদ জানিয়ে লাল বাগান ও ঝাউবাগান এলাকার অন্য একটি গোষ্ঠী রাস্তায় নামে। বচসা থেকে শুরু হয় দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট। একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ও বোতল ছোড়ে। রক্তাক্ত হয়ে ওঠে এলাকা। শুরু হয় বোতল ছোরাছুরি৷ ইটবৃষ্টিও হয়েছে রাতে৷ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট ও বোতল ছোঁড়ে৷ রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতুল ভি ও চন্দননগর মহকুমা পুলিশ সুপার রানা মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী ঘটনস্থলে আসেন। নামানো হয় র‍্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। সংঘর্ষে উভয় গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। উত্তেজনা থাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। এলাকা থমথমে।

 

বাসন্তীতে খালেক মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার বোমা ও বন্ধুক

গত ১৭ই জুন, শনিবার গভীর রাতে বাসন্তী থানার তিতকুমার গ্রামে খালেক মোল্লা নামক এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে উদ্ধার gun-shooting.jpg.image.784.410হয় বন্ধুক ও বোমা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খালেক মোল্লার বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় একটি পাইপগান ও তিনটি তাজা বোমা। কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করেনি। অভিযুক্ত খালেক মোল্লা পলাতক।
সূত্রের খবর, খালেক মোল্লা এলাকার সবার কাছে সমাজ বিরোধী হিসাবে পরিচিত। এমকি বেশ কয়েকদিন ধরেই এলাকার মানুষকে বিভিন্ন কারণে ভয় দেখাত এবং কারণে অকারণে এলাকায় বোমাবাজি করতো বলে সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়। শনিবার রাতেও এলাকায় বোমাবাজির খবর পেয়ে পুলিশ তার বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু খালেক মোল্লা পুলিশ আসার আগাম খবর পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। কীভাবে অভিযুক্ত তার বাড়িতে এইগুলি জড়ো করল সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ। এই ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এগুলি জড়ো করা হয়েছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

ফেসবুকে ধর্ম সংক্রান্ত পোস্ট শেয়ার শিক্ষকের, তুলসীহাটায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ

12ফেসবুকে ধর্ম সংক্রান্ত একটি পোস্ট শেয়ার করা নিয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাটা। গোষ্ঠী সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠি, কাঁদানে গ্যাস ও গুলি চালাতে হয়। অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। এই মুহূর্তে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটলেও, উত্তেজনা রয়েছে এলাকায়। তবে এনিয়ে পুলিশ, প্রশাসনের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তুলসীহাটা হাইস্কুলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক নজ়রুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ধর্ম সংক্রান্ত একটি পোস্ট শেয়ার করেন। তারই প্রতিবাদে কয়েকজন স্থানীয় যুবক গত ১৪ই জুন স্কুলে ঢুকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। নজ়রুল সাহেবের অভিযোগ, ওই যুবকরা হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে বেশ কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে আসে। স্কুলের ভিতরে ঢুকে তাঁকে মারধর করে। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করেন। রাতে তাঁর স্ত্রী ১৩ জনের বিরুদ্ধে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে থানা সূত্রে খবর, গতরাতে ওই যুবকদের পক্ষ থেকেও নজরুল সাহেবের বিরুদ্ধে এলাকায় ধর্মীয় উস্কানি ছড়ানোর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দুই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
নজ়রুল সাহেবকে স্কুলে ঢুকে নিগ্রহের ঘটনায় বুধবার রাতে তুলসীহাটায় বৈঠকের আয়োজন করে একটি গোষ্ঠী। আইনের আশ্রয় না নিয়ে একজন শিক্ষককে কেন স্কুলে ঢুকে মারধর করা হল, তা নিয়ে বৈঠক উত্তপ্ত হয়। সেই বৈঠকের খবর যায় অপর গোষ্ঠীর কাছেও। দুই গোষ্ঠী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মুখোমুখি সংঘর্ষের সিদ্ধান্ত নেয়। খবর পায় পুলিশ। সকাল থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামিয়ে দেওয়া হয় এলাকায়। ছিল সশস্ত্র RAF। কিন্তু, তার মধ্যেই দুই গোষ্ঠী একে অন্যের উপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে মিঠুন সিংহ নামে ২৩ বছরের এক যুবকের আঘাত গুরুতর।

প্রেমের ফাঁদে লাভজিহাদ সমানে চলছে : এবার শিকার হল দুর্গানগরের নাবালিকা

love-jihad২০১৫ সালে রত্না হালদার (নাম পরিবর্তিত) বাবার নাম জীবন হালদার (নাম পরিবর্তিত), ঠিকানা দুর্গানগর। রত্নাকে অভি সর্দার (ভালো নাম ইব্রাহিম সর্দার) নামে এক যুবক নানাভাবে উত্তক্ত করত।  রত্নার বয়েস তখন ১৪-র একটু বেশি। বেশকিছুদিন পর রত্না ওই মুসলিম ছেলেটির প্রলোভনে পা দিয়ে তার সাথে প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। সম্পর্কের কিছুদিন পর থেকেই ছেলেটি রত্নাকে বিভিন্নরকম অত্যাচার ও হুমকি দিতে থাকে। অভি ওরফে ইব্রাহিম- এর ভয়ে রত্না কখনও বাড়িতে কিছু বলতে পারেনি।
গত ১১. ০৬. ২০১৭ তারিখের আগের রাত্রে অভি আরও কিছু টাকা চেয়ে হুমকি দেয়। পরিস্থিতি চাপে অবশেষে রত্না মুখ খোলে।পরেরদিন সে তার মাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। সেই রাত্রেই অভির সাথে রত্নার মারপিট হয় এবং তার ফোনটা রত্না নিয়ে চলে আসে। তারপর থেকে অভি রত্নার বাড়ির লোককে এবং রত্নাকে ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকে। শুধু অভি একা নয় তার সাথে তার বন্ধুরাও হুমকি দিতো। রত্না ওইরাতেই থানায় একটা ডায়েরী করে। জিডিই নম্বর হলো ৫৫৬/১৭।

ভারতে থেকে-খেয়েও পাকিস্তানের জয়ে ‘উৎসব’

Supporters of the moderate faction of All Parties Hurriyat Conference attend a rally in Srinagarভারতে জন্মে- থেকে ভারতেরই খেয়ে পাকিস্তানের জয়ে উল্লাসে মাতলেন কাশ্মীরের বাসিন্দারা। পাকিস্তানের জয়ে বাজি ফাটিয়ে-পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়ে চলল উৎসব। আর সেই জয়ে হুরিয়ত নেতা ওমর ফারুক ঘিতাহুতি দিলেন । সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে যেভাবে পাকিস্তান ফাইনালে চলে এসেছে এজন্যে পাকিস্তান দলকে শুভেচ্ছা বার্তা জানান ফারুক। একই সঙ্গে ফাইনালে পাকিস্তান যাতে আরও ভালোভাবে খেলতে পারে এজন্যে শুভ-কামনাও জানান ওমর। তার এই টুইটে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চাম্পিয়ান ট্রফির ফাইনালে যে পাকিস্তান খেলতে পারে এমন কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি। কিন্তু যেভাবে পাকিস্তান ফাইনালে উঠে এসেছে সেমিফাইনালের পরেই উৎসবে মেতে উঠেন কাশ্মীরবাসীদের একাংশ। যদিও পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছে ভারত।

মন্তেশ্বরে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ ধৃত ১

140707_Arrested_Richardson-630x420মন্তেশ্বেরের ধেনুয়া গ্রামের কাছেই পাতুনের মোড় থেকে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম সমীর শেখ, ধৃতের বাড়ি কাটোয়ার কুয়ারা এলাকায়। গত ১৩ই জুন সমীর শেখ ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করলে পুলিশের সন্দেহ হয়। তারপর তাকে ধরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে একটি ওয়ান শার্টার বন্দুক ও একটি গুলি উদ্ধার করেছে।
জানা যায়, বেশ কয়েকদিন ধরেই ধেনুয়া এলাকায় ধর্মরাজের পুজো ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাই এই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বুধবার ধৃতকে কালনা মহকুমা তোলা হয়। মহামান্য আদালত তাকে পাঁচদিনের পুলিশ হেপাজত হয়েছে। অন্যদিকে, ওই রাতেই ওই এলাকার ডাউকাডাঙা মোড়ে সাইকেলে করে মন্তেশ্বর থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধেনুয়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণ মাঝিকে একদল দুস্কৃতি মারধর করে বলে অভিযোগ।

তারকেশ্বর মন্দির কমিটির চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা মমতা ব্যানার্জীর

19059472_10154927271884865_2252932713712150660_nবৃহস্পতিবার হুগলির তারকেশ্বরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক জনসভা করেন। তারকেশ্বর মন্দির উন্নয়নের জন্য পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী তারকেশ্বর মন্দির উন্নয়নের জন্য একটি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডও তৈরি করে দেন। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন ফিরহাদ হাকিম। বেচারাম মান্নাকে করা হয় ভাইস চেয়ারম্যান। জেলাশাসকের উপর সংস্কারের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।

এদিনের সভায় তিনি হুগলিতে উন্নয়নের বার্তা দেন। হুগলির ১০০ শতাংশ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়া হবে। আরামবাগে হবে মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। তারকেশ্বরে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হবে। সেইসঙ্গে হুগলিতে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আরও অনেকগুলি প্রকল্পের ঘোষণাও করেন।

পুজোয় ঢাক বাজানোয় মন্তেশ্বরে পুণ্যার্থীদের উপরে হামলা, বোমাবাজি এলাকা উত্তপ্ত

unnamed-32-511x250পুজো ঘিরে পুণ্যার্থী ও অপর পক্ষের মধ্যে অশান্তি- উত্তেজনা তৈরি হল মন্তেশ্বরে। দুপক্ষের মধ্যে চলল ইটবৃষ্টি। বোমাবাজি হয় বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ২৫-৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ।ঘটনায় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি।এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

মন্তেশ্বরের দেনুড় পঞ্চায়েতের ধেনুয়া গ্রামের বড়গড় পুকুরের কাছে ধর্মরাজের পুজোর বেদী রয়েছে। সেখানে শুক্রবার বিশেষ পুজোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বলে স্থানীয় মানুষজনের সুত্রে জানা গেছে। পুজোর জন্য এলাকায় ঢাক বাজানো ‌যাবে না, মাইকও খুলে নেওয়ার কথা বলা হয় অপর পক্ষে। দুপক্ষকে মন্তেশ্বর থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে উভয় পক্ষের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, শুক্রুবার হিন্দু সন্ন্যাসীরা ওই বেদিতে পুজো দিতে পারবেন এবং ভাঁড়াল নাচ করতে পারবেন। যথা সময়ে শুক্রবারে ঢাক বাজিয়ে পুজো দিতে ‌যান পুণ্যার্থীরা। তখন পুণ্যার্থীদের বাধা দেয় অপর গোষ্ঠী।

পূজার বেদীর ঢাক বাজানো মাইক বাজানো বন্ধ করতে বলা হয়। পুণ্যার্থীরা মাইক খুলে ফেললেও তবে তাতেও অশান্তি এড়ানো ‌যায়নি। তখনই দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, পুজোয় ‌যাতে ঢাক না বাজে, সেটা ওরা বলেছিল। কিন্তু এটা দীর্ঘ কয়েকবছরের রীতি। বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। সেইসময় অন্য পক্ষের লোকজন পূর্ণাথীদের উপর হামলা চালায়।