আই এস জঙ্গিগোষ্ঠীর জন্যে সদস্য সংগ্রেহের কাজ করছে ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)’

popular-frontIS জঙ্গি সংগঠন যারা এই বিশ্বকে মুসলিম বিশ্ব বানাবার কথা ঘোষণা করেছে, সেই সংগঠনের জন্যে লোক নিয়োগের কাজ করছে কেরালার পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। সম্প্রতি দিল্লী পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া কেরালার নাগরিক শাহজাহানকে জেরা করে এমন তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। কেরালার বাসিন্দা শাহজাহান দিল্লিতে থাকতো এবং সে ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’-এর হয়ে কাজ করতো। দিল্লী থেকে সিরিয়া যাবার সময় তুরস্কে ধরা পড়ে যায় সে, পরে তাকে দিল্লী পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শাহজাহানের স্বীকারোক্তি, তার পরিবারের পাঁচ সদস্য ইতিমধ্যে সিরিয়ায় আই এস ডেরায় পৌঁছে গিয়েছে। সে নিজেও সেখানে যাবার চেষ্টা করেছিল। সে আরো জানিয়েছে, PFI কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের বিস্তীর্ণ অংশ থেকে আই এস জঙ্গিগোষ্ঠীর জন্যে সদস্য সংগ্রহ করছে। ভারত থেকে বিদেশ যাবার ব্যবস্থা করে দেবার কাজও করতো সংস্থাটি।
কেরালা থেকে আগেই জনা ২৫-এর একটি দল রওনা দিয়েছিল আই এস -এ যোগ দেবার জন্যে। তাদের মধ্যে পাঁচজন মহিলাও ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও। তারপরও কেরালা থেকে আই এস -এ যোগদানের প্রবণতা কমেনি। শাহজাহানের বয়ান অনুযায়ী, তার দুই বন্ধু সমীর আলি ও খাইয়ুম কেরালা থেকে তুরস্ক হয়ে সিরিয়া পৌঁছে গিয়েছে। এর মধ্যে সমীর আলি সিরিয়ার আই এস ক্যাম্পে নিহত হয়েছে।

পাসপোর্ট জাল, ধৃত দম্পতি

fake passportজাল নথি দিয়ে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে ভারতীয় পাসপোর্ট। আবার তার প্রমাণ পেলেন কলকাতা বিমানবন্দরের অভিবাসন অফিসার এবং পুলিশ।
গত ১লা অগাস্ট, মঙ্গলবার রাতে কলকাতা থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে ঢাকা যাওয়ার পথে অভিবাসন অফিসারদের হাতে ধরা পড়েছে গোটা পরিবার।
স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের তিন বছরের শিশুপুত্র। স্বামী-স্ত্রী বাংলাদেশি। কিন্তু, জন্মসূত্রে শিশুটি ভারতীয়। তার বাবা-মাকে গ্রেফতার করে বুধবারেই আদালতে তোলা হয়েছিল। তাঁদের দু’জনকেই পাঠানো হয়েছে জেল হেফাজতে। শিশুপুত্রটিকে পাঠানো হয়েছে মায়ের সঙ্গেই।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিক সইফুল ইসলাম (৩৬) ১৯৯৭ সালে বেআইনি ভাবে হরিদাসপুর সীমান্ত টপকে ভারতে চলে আসেন। মুম্বইতে গিয়ে মোবাইল সারানোর কাজ শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি ভারতেই রয়ে গিয়েছেন। এরই মাঝে জাল নথি দিয়ে ভারতীয় পাসপোর্টও বানিয়েছেন। সেই পাসপোর্ট দেখিয়ে বাংলাদেশের ভিসা নিয়ে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যাতায়াতও করতেন। ২০১৩ সালে বাংলাদেশে গিয়ে সেখানকার মেয়ে ফরিদা ইয়াসমিন (২৮)-কে বিয়ে করেন। বিয়ের পরে ফরিদা বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও ভারতীয় ভিসা নিয়ে সইফুলের সঙ্গে এ দেশে চলে আসেন।
জেরার মুখে সইফুল জানিয়েছেন, মুম্বই পৌঁছনোর পরে ফরিদার বাংলাদেশি পাসপোর্টটি নষ্ট করে ফেলে জাল নথি দিয়ে ফরিদার জন্যও ভারতীয় পাসপোর্ট বানানো হয়। এর পরে জন্ম হয় সুজানের। জন্মসূত্রে সুজান ভারতীয়। তাঁর পাসপোর্টটি আসল। জানা গিয়েছে, জাল নথি দিয়ে বানানো ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যাতায়াত করতেন সইফুল ও ফরিদা। এত দিন ধরা পড়েননি। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা যাওয়ার সময়ে অভিবাসন অফিসারদের সন্দেহ হলে জেরা শুরু করেন তাঁরা। ধরা পড়ে যান স্বামী-স্ত্রী।

মেসেজ করে বিরক্ত করতেন ইমরান, পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ মহিলার

Imranএবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে সরব হলেন তাঁর দলেরই প্রাক্তন এক নেত্রী l তেহরিক-ই-ইনসাফ প্রধান ইমরান খান প্রায়শই তাঁকে বিভিন্ন হরণের মেসেজ পাঠাতেন বলে অভিযোগ করেন ওই মহিলা l

সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে আয়েষা গুলালি ইমরান খানের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ করেন l ইমরান খানের বিরুদ্ধে যাতে তদন্তও হয়, সেই দাবিও করেন আয়েষা l পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনওয়া প্রদেশের নেত্রী আয়েষা ইতিমধ্যেই তেহরিক-ই-ইনসাফ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন l

তাঁর অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরেই ইমরান খান তাঁকে নানা ধরনের মেসেজ করতেন l ফলে, মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন তিনি l আর তারপরই দল থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়েষা l তিনি বলেন, মানুষের যতগুলো বাজে অভ্যেস রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল অন্যকে মেসেজ করে উত্যক্ত করা l

আয়েষার দাবি, ২০১৩ সালে ইমরান প্রথম তাঁকে মেসেজ করেন l এরপর থেকে নাকি প্রায়শই তাঁকে মেসেজ করা হত l প্রাক্তন ক্রিকেটারের ব্ল্যাকবেরি দেখলেই সমস্ত তথ্য মিলবে বলেও দাবি করেছেন আয়েষা l ইমরান যে ধরনের মেসেজ করতেন, তা মেনে নেওয়া সম্ভব নয় l তবে শুধু তিনি নন, তদন্ত করলে দেখা যাবে, তেহরিক-ই-ইনসাফের অনেক মহিলা সদস্যদের সঙ্গেই ইমরান ওই একই কীর্তি করছেন l

পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খান মনসিকভাবে সুস্থ নন বলেও দাবি করেছেন আয়েষা গুলালি l যদিও এ বিষয়ে মুখে রা কাটেননি ইমরান খান l

চিত্র ও খবর সৌজন্যে : http://www.india.com

মুর্শিদাবাদে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু মাদক পাচারকারীর

pistol-firing-bulletঘটনাস্থল জলঙ্গি থানার অন্তর্গত ধনীরামপুরের টিকটিকিপাড়া। পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারকারী মিনারুল মোল্লা (৩৩) কে খুঁজছিল। গত ২৫শে জুলাই,মঙ্গলবার রাতে জলঙ্গি থানার পুলিশ বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে মিনারুলকে ধরতে গেলে সে গুলি চালাতে চালাতে পালানোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশের পাল্টা গুলিতে মিনারুলের মৃত্যু হয়। আর তা নিয়েই বুধবার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবি পুলিশ তাকে জোর করে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করেছে।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা শুরু হয় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট-পাটকেল ছোড়া হয়। তখন পুলিশ লাঠি চার্জ করে অবরোধ তুলে দেয়। অবস্থা সামাল দিতে পুলিশকে ১৪৪ জারি করতে হয়। এই ঘটনায় মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলেন “এলাকাবাসীর অভিযোগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তবে ওই যুবকের না মাদক পাচার সহ নানা অভিযোগ ছিল”। তবে মৃতের বাবা মহাসেম মোল্লা ছেলের পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা মেনে নেন।তিনি বলেন “আমার ছেলে আগে পাচারে পাচারে যুক্ত ছিল। গ্রামের বেশির ভাগ লোকই যুক্ত। কিন্তু এখন আর পাচারের কাজ করতো না ও। পুলিশ যেভাবে ওকে খুন করলো মানতে পারছি না।”

গিলানির আইনজীবী দেবিন্দর সিং বেহাল দেশের গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতেই তুলে দিয়েছেন

devender-singh-behalএন আই এ তার বাড়িতে ও অফিসে তল্লাশির পর গত ৩০ শে জুলাই বেহালকে গ্রেপ্তার করে। এমনকি ইউটিউবে বেহালের একাধিক উস্কানিমূলক ভিডিও গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। এন আই এ জানিয়েছে, পাক হাইকমিশনের কয়েকজন অফিসারের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রয়েছে বেহালের। তাদের আশঙ্কা, ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ( যেমন সেনা ঘাঁটির তথ্য, সেনার গতিবিধি) বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচার করে থাকতে পারেন বেহাল। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সোশ্যাল পিস ফোরামের প্রধান, যে সংগঠনের হয়ে তিনি একাধিকবার সেনার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এমনকি কাশ্মীরের আজাদীর পক্ষে বহুবার স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে তাকে। এদিকে বেহালকে জম্মুর বার এসোসিয়েশন থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি বি এস সালাথিয়া সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ”বেহালের জাতীয়তাবিরোধী কাজকর্ম সম্পর্কে জানার পরই আমরা ওর প্রাথমিক সদস্যপদ খারিজ করার সিদ্ধান্ত নি”।

অস্ত্র-কারখানার হদিশ তিলজলায় , উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র-কার্তুজ

rs-248260-RS-Posing-With-a-Gunএক ঝলক দেখলে মনে হবে আর পাঁচটা চালু কারখানার মতোই | চাকচিক্য এবং পারিপাট্য , দুই -ই আছে একাধিক লেদ মেশিন, ড্রিলিং করার নানাবিধ আধুনিক যন্ত্রপাতি, ফার্নেস , ঝালাই বা পালিশ করার টুকিটাকি সরঞ্জামের ছড়াছড়ি , ছেনি -হাতুড়ি -বাটালি -ছুরি..আরও যা যা থাকে আর কী | গড়পড়তা কারখানার বহিরঙ্গের আড়ালে যে বেশ কিছুদিন ধরে এখানে চলছিল আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির পরিপাটি কারবার , কে ভেবেছিল !
ওয়েস্ট পোর্ট থানা এলাকা থেকে যখন দিন চারেক আগে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের উপর ভিত্তি করে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১০ রাউন্ড গুলি সহ গ্রেফতার হয় আদতে মুঙ্গেরের বাসিন্দা ইমতিয়াজ আমেদ এবং আফরোজ আমেদ , তখনও ভাবা যায়নি , কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোবে | বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি এবং সরবরাহের ব্যাপারে মুঙ্গের অঞ্চলের নামডাক আজকের নয় , বহুদিনের | ধৃত দুই মুঙ্গেরবাসীকে আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু এবং ক্রমে হিমশৈলের চূড়ার প্রকাশ |ধৃত দুই দুষ্কৃতীর স্বীকারোক্তি থেকে যা জানা গেল , এক কথায় চাঞ্চল্যকর | সম্প্রতি তিলজলা এলাকার ১৬ ডি , চন্দ্রনাথ রায় রোডের একটি চারতলা বাড়ির একতলাটি মাসিক আট হাজার টাকায় ভাড়া নিয়েছিল মুঙ্গের থেকে আসা চারজন, ( পরিচয় যদিও দিয়েছিল শহরবাসী হিসেবেই )কারখানা চালানোর অছিলায় |নিয়মমাফিক এসেছিল মেশিন, যন্ত্রাংশ ইত্যাদি, যেমন আসে | কাজ চলতো রাতভর , সন্দেহ করার তেমন কোনও কারণও দেখেননি বাড়ির উপরের তিনটি তলার আবাসিকরা |
” কাজ ” বলতে আসলে কারখানার নামে আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উৎপাদন এবং রাজ্যে বা রাজ্যের বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায় এক-একটি অস্ত্র বেচে দেওয়া | কাকভোরে কারখানায় হানা দেয় পোর্ট ডিভিশনের বিশেষ তদন্তকারী দলের অফিসাররা | হাতেনাতে ধরা পড়েছে আরও চার দুষ্কৃতী | মহম্মদ সোনু , সৌরভ কুমার , মহম্মদ রাজু এবং সরফরাজ আলম | আগেই লিখেছি , সকলেই মুঙ্গেরের | প্রথম দফায় দুই , দ্বিতীয় দফায় চার , ধৃত ৬ জনের থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮ টি 7.65 mm সেমি-অটোমেটিক পিস্তল , ৫০ রাউন্ড গুলি , ১৬ টি ম্যাগাজিন এবং বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ | ছবিতে রইল যার কিছু ঝলক | ছয় “গুণধরের ” ছবিও ভাগ করে নিলাম |
তদন্ত শেষ হয়নি, সবে মাঝপথে | শিকড় কতদূর বিস্তৃত , সেটা জানার কাজ এগোচ্ছে জোরকদমে |

‘কাশ্মীরে তেরঙ্গা ধরার জন্য কেউ থাকবে না’

mehbooba-webকাশ্মীরিদের স্বার্থরক্ষায় রয়েছে সংবিধানের দুটি বিশেষ ধারা। ৩৭০ ও ৩৫(এ) ধারায় রদবদল করা হলে জ্বলবে উপত্যকা। কার্যত এভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। তাঁর বক্তব্য, এমন কিছু হলে কাশ্মীরে তেরঙ্গা ধরার কেউ থাকবে না। উল্লেখ্য, সংবিধানের ওই দু’টি ধারার অন্তর্গত বেশ কিছু বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পায় কাশ্মীর।
গত ২৮শে জুলাই,শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মেহবুবা। একাধিক ইস্যুতে শরিক দল বিজেপির সঙ্গে যে সম্পর্ক ক্রমশ তলানিতে ঠেকছে তা একপ্রকার স্পষ্ট হয়ে যায় তাঁর বয়ানে। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে নিয়ে শান্তি আলোচনার পক্ষে মেহবুবা। কিন্তু কেন্দ্রের সাফ কথা উপত্যকায় পাথর নিক্ষেপকারী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে কোনও আলোচনা নয়। উপত্যকায় পাথর নিক্ষেপকারী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে কোনও আলোচনা নয় এমনটাই জানিয়েছেন রাম মাধব, অমিত শাহর মত হেভিওয়েট নেতারা।একই পথ অবলম্বন করেছে কেন্দ্রও। পাশাপাশি জোরদার করে তোলা হয়েছে জঙ্গিদমন অভিযান। রাজ্যের বিশেষ সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দুরত্ব বাড়ছে পিডিপি-র। বেশ কিছুদিন থেকেই কাশ্মীরে জন্য সংবিধানের বিশেষ ধারা ৩৭০ ও ৩৫ (এ) রদ করার দাবি উঠেছে খোদ বিজেপির অন্দর থেকেই। আর তা নিয়েই তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন মুফতি।
“বিশেষ অধিকার না থাকলে জম্মু ও কাশ্মীরের অস্তিত্বই থাকত না। কাশ্মীর ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ। তাই কাশ্মীরিদের বিশেষত্বের কথা মাথায় রাখতে হবে। আমাদের জানতে হবে কেন তরুণরা পাথর ছোড়ার দিকে ঝুঁকছে। ‘আজাদি’ নিয়ে কাশ্মীরিদের যে ধারণা রয়েছে তা পালটাতে হবে।” সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই বলেন মুফতি। জঙ্গিদের অর্থ জোগানের অভিযোগে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-র হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে বেশ কয়েকজন হুরিয়ত নেতা। আর এতেই নারাজ মুফতি। তাঁর মতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গ্রেপ্তার করে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা যাবে না। একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই তা সম্ভব। তবে ২০১৯-এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু’দলের কেউই যে নিজের অবস্থান থেকে নড়বে না তা একপ্রকার স্পষ্ট। এবং এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে বিজেপি-পিডিপি জোট সরকারের ভবিষ্যত নিয়ে।

কোলাঘাটে সংহতি কর্মীর উপর হামলা, হামলাকারী অবাধে ঘুরছে : জেল খাটছে সংহতি কর্মীই

clouag৩০শে জুন রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিল কোলাঘাটের হিন্দু সংহতির যোদ্ধা, অনুপম মন্ডল। রাস্তায় আনিসুর মল্লিক ও তার দুইজন বন্ধু অকারণে অনুপমকে উদ্দেশ্য করে অপমানজনক কথা বলে, তার পরিবার নিয়ে অশ্লীল মন্তব্যও করে তারা। অনুপম তাদের কথার প্রতিবাদ করায়, বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়। এরমধ্যেই আনিসুর ভোজালি বের করে অনুপমের হাতে আঘাত করে। চিড়ে যায় অনুপমের আঙুল। প্রাথমিক ঝটকা সামলে অনুপম আক্রমণকারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পরে এবং তাদের হাতের ভোজালি কেড়ে নিয়ে তাদেরকেই আক্রমণ করে। প্রতিআক্রমণের ফলে আনিসুর ও তার সঙ্গীরা সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হয় আর অনুপম আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসে।
না, ঘটনা এখানে শেষ নয়, বরং শুরু। আনিসুর মল্লিক তার সম্প্রদায়ের প্রায় ২০০ লোক নিয়ে রাত দশটা নাগাদ অনুপমের বাড়িতে হামলা করে। বাড়ির লোকদের তুমুল গালিগালাজ করার সাথে সাথে ইঁটবৃষ্টি হতে থাকে অনুপমের বাড়িতে। স্থানীয় কোলাঘাট থানায় খবর দিলে জনৈক সাব-ইন্সপেক্টর কতিপয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান কিন্তু দুই শতাধিক উন্মত্ত জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাদের ছিলনা। বরং জেহাদিদের ছোঁড়া পাথরের আঘাতে সেই অফিসার স্বয়ং আহত হন।
এরপর কোলাঘাট থানার ওসি-র নেতৃত্বে আরও বড় পুলিশবাহিনী এলাকায় পৌছায় কিন্তু এলাকার পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে তারা অনুপম ও তার পরিবারকে তাদের বাড়ি ছেড়ে কোলাঘাট থানায় আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেন। কোলাঘাট থানায় যাবার পথে পুলিশ ফের তাদের মত বদলায় এবং কোলাঘাট থানাও অনুপমদের জন্যে নিরাপদ হবেনা মনে করে তাদের সরাসরি তমলুক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তমলুক থানায় পৌছানো মাত্রই অনুপমকে হাজতে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বাইরে বসিয়ে রাখা হয়। পরে, রাত তিনটে নাগাদ, পুলিশ প্রহরায় পরিবারের বাকি সদস্যদের বাড়িতে ছেড়ে আসা হয় এবং তাদের নিরাপত্তার জন্যে বাড়িতে জনাকয়েক সিভিক পুলিশও নিয়োগ করা হয়।
অনুপম ও তার পরিবার আনিসুরদের আক্রমণের নিশানা হওয়া সত্ত্বেও সেই অনুপমকেই গ্রেপ্তার করলো পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। শুধু গ্রেপ্তারই নয়, তার বিরুদ্ধে IPC-র 307 ধারায়, অর্থাৎ, হত্যার প্রচেষ্টা যেটা কিনা জামিন অযোগ্য অপরাধ, কেসও দায়ের করলো কোলাঘাট থানার পুলিশ।
অনুপমের বিরুদ্ধে কেস দায়ের করলেও, অনুপমের উপর এবং তার বাড়িতে যারা হামলা করলো, পুলিশ অফিসারকে আহত করলো তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন কেস করেনি কোলাঘাট থানার পুলিশ। তাদের যুক্তি, তাদের কাছে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। আমাদের দেশে কোন অপরাধের খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য। এক্ষেত্রে একজন পুলিশ অফিসার আহত হওয়ার পরেও কোলাঘাট থানার কোন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেনি যদিও তাদের কাছে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার খবর ছিল।
অবশেষে, গতকাল অনুপমের স্ত্রী, সান্ত্বনা মন্ডল কোলাঘাট থানায় একটি অভিযোগপত্র দেয় যেটায় আনিসুর মল্লিক সহ ২০০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয় যার ভিত্তিতে একটি FIR-ও করা হয়। যে নিরপরাধ অনুপম মন্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ যে তৎপরতা দেখিয়েছিল তার সিকিভাগও আনিসুর মল্লিক ও তার দলবলের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি । তাই অভিযোগ দায়ের করার ২৪ ঘন্টা পরেও আনিসুররা অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর অনুপম হাজতে আটক আছে।

মাননীয় হিন্দু সংহতি সভাপতি তপন ঘোষের কলমে, অবশ্যই পড়ুন

for blogএটা অত্যন্ত লজ্জার ও দুঃখের যে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব শওকত মোল্লার হাতে পুরো দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার একছত্র ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন। এবং তা প্রবীণ নেতা জয়ন্ত নস্করকে উপেক্ষা করে।
এই শওকত মোল্লা কে ????
যে ৩০ বছর ধরে লাল ঝান্ডা হাতে নিয়ে সম্পূর্ণ জীবনতলা এলাকায় হিন্দুদের উপর, বিরোধীদের উপর, কংগ্রেস-তৃণমূলের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিল।
যে শওকত মোল্লার অত্যাচারে মৌখালী গ্রামের ৭০ টি হিন্দু পরিবার বিরোধী দল করার অপরাধে গ্রাম ছাড়া হতে বাধ্য হয়েছিল।
যে শওকত মোল্লার কুখ্যাত “কারগিল টীম” (মোটরবাইক বাহিনী) সম্পূর্ণ এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছিল।
যে কার্গিল টীম দিয়ে এলাকার সমস্ত ফিশারি থেকে শওকত মোল্লা তোলা তুলত। প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা।
প্রতি মাসে ১ তারিখে ক্যানিং থানায় ২ লক্ষ টাকা জমা পড়ত থানা কন্ট্রোলের জন্য। মনে রাখবেন, তখনও জীবনতলা থানা আলাদা হয়নি। ক্যানিং থানার আন্ডারে ফাঁড়ি ছিল।
যে শওকত মোল্লা দীর্ঘদিন সিপিএম-এর ক্যানিং-২ ব্লকের “পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি” ছিল।
যে শওকত মোল্লা যতদিন ক্ষমতায় ছিল, ক্যানিং ও তালদি থেকে জীবনতলা ফাঁড়িতে যাওয়ার রাস্তা পর্যন্ত করতে দেয়নি যাতে সাধারণ মানুষ তাড়াতাড়ি ফাঁড়িতে পৌঁছাতে না পারে।
যে শওকত মোল্লা সিপিএম আমলের অসংখ্য খুনের মামলায় অভিযুক্ত।
যে শওকত মোল্লার তৃণমূলে ঢোকা ২০১১ সালে ক্ষমতা পরিবর্তনের পরও “দিদি দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিলেন” তার ওই সমস্ত অপকীর্তির জন্য। তারপর মুসলিম লবির চাপে নিতে বাধ্য হন। অবশ্য সবাই জানে, ওপেন সিক্রেট, শওকত মোল্লা উপযুক্ত স্থানে ৫০ লক্ষ টাকা প্রণামী চড়িয়েছিল তৃণমূলে ঢুকতে।
সেই শওকত মোল্লার হাতে আজ তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সব ক্ষমতা তুলে দিলেন? এটা কি শুধুই টাকার মাহাত্ম্য? নাকি শওকত মোল্লার এই ইতিহাস, এইসব অপকীর্তি সম্বন্ধে অজ্ঞানতা?
বাসন্তী থানা এলাকায় তৃণমূলের যত গোষ্ঠী সংঘর্ষ চলছে, যত খুনোখুনি চলছে, গোটা রাজ্যে আর কোনো থানায় এত নেই। এই গোষ্ঠী সংঘর্ষ থামানোর জন্য এই মাত্র কয়েকদিন আগে রাজ্য নেতৃত্ব শওকত মোল্লাকে (তার বাড়ি জীবনতলা, সে জীবনতলার এম এল এ) বাসন্তী থানা এলাকায় ঢুকতে নিষেধ করেছেন। আমরা সংবাদ মাধ্যমে তা জেনেছি। কিন্তু সেই নিষেধ কে ডোন্ট কেয়ার করে ২৯ জুন সে বাসন্তী থানায় গিয়ে বসেছিল। এবং থানা কন্ট্রোল করছিল। সেই সিপিএম আমলের মত। রাজ্য পুলিশের জন্য এটা লজ্জার বিষয় নয়?
তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব কি এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল যে তাঁদের আদেশ শওকত মোল্লা পরোয়া করে না !
শ্রদ্ধেয় বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা জয়ন্ত নস্কর ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের জন্মদিন থেকে তৃণমূলে আছেন এবং দিদির নেতৃত্বে একনিষ্ঠ সৈনিক হিসাবে অনেক সংগ্রাম করে বাসন্তী, গোসাবা (কুখ্যাত সিপিএম গুন্ডা হাকিম মোল্লার রাজত্ব ছিল) ও ক্যানিং এলাকায় বামফ্রন্টকে উচ্ছেদ করেছেন। আর অন্যদিকে শওকত মোল্লা! বামফ্রন্ট জমানার শেষ দিন পর্যন্ত লালঝাণ্ডা হাতে নিয়ে গুন্ডামি করেছে ও টাকা কামিয়েছে।
সেই শওকত মোল্লা আজ তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে প্রিয় হয়ে গেল! আর সংগ্রামী অনুগত জয়ন্ত নস্কর অপাংক্তেয় হয়ে গেলেন?
তৃণমূল রাজ্য নেতৃত্ব কি আবার সেই সিপিএমের বিভীষিকাময় দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে চাইছেন?
তাঁদেরকে অনুরোধ করব, একটু ভেবে দেখুন। একটু ভেবে দেখুন।
অনেক রিস্ক নিয়ে আমি এই পোস্ট দিচ্ছি। কারণ এই পোস্ট দেওয়ার পর জীবনতলা এলাকায় আমাদের হিন্দু সংহতি কর্মীদের প্রাণ সংশয় হতে পারে। তাদের বাড়ি আক্রান্ত, লুঠ হতে পারে। তবু সম্পূর্ণ দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার হিন্দুদের স্বার্থে, দেশের অখণ্ডতার স্বার্থে এই পোস্ট দিলাম।
তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব ও রাজ্য পুলিশের উচ্চ পদাধিকারীদের আমি অনুরোধ জানাচ্ছি, জীবনতলা এলাকায় হিন্দু সংহতি কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য।

বাড়িতে ঢুকে কলেজ ছাত্রীর ওপর হামলা, অভিযুক্ত মালদা জেলা ছাত্র পরিষদের সভাপতি

College-girl-student-attaked_MLD_29.06.17-715x400থানা থেকে অভিযোগ না তলায় কলেজ ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে হামলা সহ আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ মালদা জেলা ছাত্র পরিষদের সভাপতির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের তৎপরতায় আগুন নেভানো হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা শহরের মহানন্দপল্লী এলাকায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায়।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১০মার্চ মালদা জেলা ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি বাবুল শেখের বিরুদ্ধে বারংবার কুপ্রস্তাব সহ হেনস্থা এমনকি বাড়িতে ঢুকে তার ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন গৌড় মহাবিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী। সেসময় ওই ঘটনায় ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা ছাত্রী। তারপর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্ত ছাত্র পরিষদের বাবুল শেখকে গ্রেফতার করে। পড়ে জামিনে ছাড়া পায় বাবুল। অভিযোগ তারপর থেকেই বারংবার অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ওই ছাত্রী সহ তার পরিবারের ওপর চাপ ও হুমকি দিতে থাকে বাবুল শেখ।

বুধবার গভীর রাতে আবারও ওই ছাত্রীর বাড়িতে হামলা চালায় অভিযুক্ত ছাত্র পরিষদ নেতা ও তার দলবল বলে অভিযোগ। ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে মারধর সাথে আগুন লাগিয়ে দেয়। স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভানো হয়। ঘটনায় ওই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়লে রাতেই মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনা প্রসঙ্গে নির্যাতিতা ওই ছাত্রী জানান,”গভীর রাতে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘরের বাইরে বেরোতেই দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আমার গলা ধরে একজন বলছে কেস না তুললে খুন করব। চারজন ঘরে ঢুকে ছিল। তাদের মুখ ঢাকা ছিল। ওটা বাবুল শেখ ছিল বলে আমি নিশ্চিত। আমি চিৎকার করতেই তারা পালিয়ে যায়। আমি চাই বাবুল শেখের শাস্তি হোক। নইলে আমার বাড়িতে থাকা দুস্কর হয়ে উঠবে।

ঘটনা প্রসঙ্গে ওই ছাত্রীর মা জানান, আমার মেয়েকে ওই ছেলেটা নানান ভাবে হেনস্থা করে। এই কারণে মেয়ের এক বছর পড়াশোনা নষ্ট হয়ে গেছে। মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ছেলের কুকর্ম তুলে ধরে বারংবার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে ওই বাবুল। কাল রাতে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। মেয়ের পড়নের কাপড়েও আগুন লেগে গেছিল।

ঘটনায় আবারও বৃহস্পতিবার ইংরেজবাজার থানায় ওই ছাত্রী ও তার পরিবার অভিযুক্ত ছাত্র পরিষদ নেতা বাবুল শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

চিত্র ও খবর সৌজন্যে : ddnews24x7.com