ক্রমাগত ভারতে হামলার ছক কষছে পাকিস্তানি জঙ্গিরা, ইসলামাবাদকে হুঁশিয়ারি আমেরিকার

modi-nawaz-trumpদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির জন্য দায়ী ইসলামাবাদই l এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি আঙুল তুলল ওয়াশিংটন l সীমান্ত পেরিয়ে যদি আরও কোনও বড় জঙ্গি হামলা ভারতে হয়, তাহলে পাকিস্তানের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হবে বলেও সতর্ক করেছে আমেরিকা l

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কথায়, ভারত বিরোধী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে কিছুতেই বাগে আনতে পারছে না পাকিস্তান l ২০১৬ সালে যেভাবে ভারতের বায়ুসেনা ঘাঁটি পাঠানকোটে জঙ্গিরা হামলা চালায়, তার কিছু সমাধান এখনও করতে পারেনি পাকিস্তান l দিল্লির তরফে এ বিষয়ে বার বার বলা সত্ত্বেও হয়নি কোনও কাজ l ফলে, ক্রমশই ইসলামবাদের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে l ভারত বিরোধী জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে শায়েস্তা করে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা এবার পাকিস্তান করুক বলেও মার্কিন প্রশাসনের তরফে সুর চড়ানো হয়েছে l

শুধু তাই নয়, পাক ‘মদতপুষ্ট’ জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি ক্রমাগত ভারত এবং আফগানিস্তানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র l

 সম্প্রতি পাকিস্তানের এক আধিকারিক দাবি করেন, ভারতের গুপ্তচর সংস্থা ‘র’-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আফগানিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে l যা সম্পূর্ণভাবে নস্যাত করে দেওয়া হয় দিল্লির তরফে l তবে পাকিস্তানের মাটিকে ব্যবহার করে জঙ্গিরা যেভাবে ভারতে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে, প্রয়োজন পড়লে সীমান্ত পেরিয়ে ভারত ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাবে বলে দেওয়া হয়েছে হুঁশিয়ারি l

তবে শুধু ভারত নয়, পাকিস্তানের জঙ্গি তোষণ নীতিতে বিরক্ত হয়ে এবার ইরানও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসলামাবাদ যদি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে না পারে, তাহলে তারা সেনা বাহিনী পাঠাবে l এবং, পাকিস্তানের মাটি থেকে উত্খাত করে দেওয়া হবে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে l

সৌজন্য: India.com

বাঁকুড়া জেলার ছাতনাতে হনুমান মন্দিরে পায়খানা ফেলে গেল দুষ্কৃতীরা

Untitledবাঁকুড়া জেলার ছাতনাতে হনুমান মন্দিরে পায়খানা ফেলে গেল দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ যে সব-এ-বারাত উপলক্ষে আগত কিছু যুবক গত কাল দুপুরে মন্দিরের পাশে পায়খানা করতে গেলে এলাকার লোকজন তাদের বাধা দেয়। এলাকাবাসীর ধারণা সেই যুবকরাই এই অপকীর্তি ঘটিয়েছে। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা রয়েছে। বিশাল সংখ্যায় পুলিশ এবং র‍্যাফ এলাকা ঘিরে ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হিন্দুদের উপর ব্যাপারটি আপোষে মিটিয়ে নেয়ার জন্যে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ভিডিও দেখুন :

“আমরা সরকার তৈরি করেছি, মমতা কী বলবে? : ইমাম বরকতি

আমরা সরকার তৈরি করেছি। মমতা কী বলবে? লাল বাতি নিয়ে বিতর্কে এমনটাই বললেন টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বরকতি।লাল বাতি ব্যবহার থেকে তিনি বিরত থাকবেন না বলে স্পষ্ট জানালেন তিনি।১ মে থেকে জরুরি ক্ষেত্র ছাড়া লাল বাতির গাড়ি নিষিদ্ধ করেছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ওই সিদ্ধান্তের পরই প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির গাড়ি থেকেও খুলে নেওয়া হয় লাল বাতি। অথচ দিব্যি লাল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরছে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বরকতি। কেন লাল বাতি নিয়ে ঘুরছেন?
বরকতির জবাব, শাহি ইমামের একটা ক্যাটগরি আছে। বাংলা ও দেশের মধ্যে ফারাক আছে। আমরা সরকার তৈরি করেছি। মমতা কী বলবে?

‘পাকিস্তানের হয়ে লড়ব’, চ্যালেঞ্জ মৌলনা বরকতির

imam-barkati_650x400_41487331215ভারতকে যদি ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ বলে ঘোষণা করা হয়, তাহলে’জেহাদ’ ঘোষণা করা হবে l নামজ, আজান, কোরান এবং শরিয়ত আইন যদি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে শিগগিরই শুরু হবে ‘জেহাদ’ l এবার এভাবেই সুর চড়ালেন টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম l

সাংবাদিকদের সামনে ইমাম বলেন, ‘ভারত কেন হিন্দু রাষ্ট্র হবে? মুসলিম রাষ্ট্র কেন নয়? তাহলে ভারতে যে ২৫-৩০ কোটি মুসলিম রয়েছেন, তাঁদের কেন পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয় না? তাহলে আমরা পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করব l’

আজান, কোরান যদি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন ইমাম বরকতি l শুধু তাই নয়, লাল বাতি ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শাহি ইমাম l ভারতবর্ষের সব ইমামদের গাড়িতেই লাল বাতি লাগানোর নির্দেশ রয়েছে l কেউ এতে আপত্তি করতে পারবেন না l’

সৌজন্য : india-com-logo

ভিডিও দেখুন :

অশান্ত ভূস্বর্গ! তৈরি হয়ে গিয়েছিল ১০০০ ‘আজাদ কাশ্মীর’ লেখা ব্যানার

গত কয়েকদিন ধরে বদলে গিয়েছে ভারতের সবথেকে সুন্দর ভূ-খণ্ড কাশ্মীরের ছবিটা। ভূস্বর্গের বুকে শুধুই বুলেট, রক্ত, স্লোগান। কাশ্মীরের সোপিয়ানকে ‘আজাদ কাশ্মীর’ ঘোষণা করতেই যাচ্ছিল পাক জঙ্গি আর তাদের মদতপুষ্ট কিছু লোকজন। সেনাবাহিনীর অপারেশনে সেই ছক বানচাল হয়ে গিয়েছে। ৪০০০ সেনার প্রাণপণ লড়াইয়ের কাছে হার মেনেছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।

kashmirজানা গিয়েছে, গত এক বছরে কমপক্ষে ১৬০ জন জঙ্গি পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে এসেছে এদেশে। সোপিয়ান জেলায় ঘাঁটি গাড়তে শুরু করেছিল তারা। স্থানীয় লোকজন এমনকি নেতাদের তাদের দলে ভিড়িয়ে এই আন্দোলনে সামিল করতে চেয়েছিল। তারা চেয়েছিল একটা জেলা থেকে শুরু করে একে একে গোটা কাশ্মীরটাই ‘আজাদ’ করে দেওয়া হবে। আন্দোলনের টাকা জোগাড় করতে একের পর এক ব্যাংক লুঠ করে তারা। গত বৃহস্পতিবারই সোপিয়ানকে ‘আজাদ কাশ্মীর’ ঘোষণা করা হবে, এমন পরিকল্পনা ছিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। ‘আজাদ কাশ্মীর’ লেখা হাজার খানেক ব্যানারও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কোথায় র‍্যালি বেরোবে, সেসবও নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। আর এই পরিকল্পনার খবর আসতেই অভিযানে নেমে পড়ে সেনাবাহিনী। গত ১৫ বছরের মধ্যে সবথেকে বড় অভিযান চালায় তারা।

জওয়ানদের জীবনের ঝুঁকি ছিল প্রতি মুহূর্তে। জঙ্গিরা লুকিয়ে ছিল যেখানে-সেখানে। তাই রাস্তায় নেমে অভিযান চালাতে গিয়ে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারত। প্রায় ২০টি গ্রাম ঘিরে ফেলা হয়েছিল৷ বুধবার রাতের দিকেই এই অভিযান শুরু হয়৷ ১৯৯০-এর পর এটাই কাশ্মীরে সবথেকে বড় সেনা অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে৷ অভিযানের সময় ড্রোন এবং হেলিকপ্টার ও ব্যবহার করা হয় নজর রাখার জন্য৷ রাস্তায় রাস্তায় নিরাপত্তা রক্ষী মজুত করা হয়৷ স্থানীয়দের এলাকা ছেড়ে যেতেও নিষেধ করা হয়েছে৷ এমনকি বন্ধ স্কুলও৷ উপত্যকায় সাম্প্রতিক ব্যাংক ডাকাতি এবং জঙ্গি হামলার জন্যই এই তল্লাশি পর্ব শুরু হয়৷ সামরিক বাহিনী যে সব গ্রাম ঘিরে ফেলেছে, সেইসব গ্রামেই জঙ্গিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়ে, ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে বলে জানা যায়৷

তবে এখনও লুকিয়ে রয়েছে জঙ্গিরা। সেনা মোতায়েন না থাকলে আবারও তৈরি হবে ‘আজাদ কাশ্মীর’-এর ছক।

সৌজন্যে : কলকাতা 24×7

ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে LoC থেকে পাকড়াও প্রাক্তন পাক সেনার ছেলে

সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার সময় সেনার হাতে ধৃত এক ১২ বছরের পাকিস্তানি কিশোর। শুক্রবার সন্ধেয় জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে লাইন অফ কন্ট্রোলের কাছ থেকে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই কিশোর পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

PoKসেনাবাহিনীর সন্দেহ, পাক সেনাই পাঠিয়েছে ওই কিশোরকে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, ‘রাজৌরির নৌসেনা সেক্টরের কাছ থেকে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয় শুক্রবার সন্ধেয়। সেনাবাহিনী নজরদারি চালানোর সময় ওই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে।’ ধৃত কিশোরের নাম আশফাক আলি চৌহান। এই কিশোর পাক সেনার বালোচ রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ানের ছেলে। এদিন সন্ধেয় সন্দেহজনকভাবে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় সীমান্তের কাছে। সেনাবাহিনীর কাছে ধরা পড়তেই সে আত্মসমর্পণ করে।

জঙ্গি অনুপ্রবেশের পথ চিহ্নিত করতেই পাক সেনা ও পাক জঙ্গি মিলে ওই কিশোরকে পাঠিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সামরিক নজরদারিতে থাকা এলাকায় কিভাবে পাক সেনা এক ১২ বছরের কিশোরকে পাঠাতে পারে! পাকিস্তানের মানবিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের হাতে ওই কিশোরকে তুলে দেবে সেনা।

সৌজন্যে : কলকাতা 24×7

২৩ মৎস্যজীবীকে আটক করল পাকিস্তান

গুজরাট উপকূল থেকে ২৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করল পাকিস্তান। জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির সেক্রেটারি মনীষ লোধানি জানিয়েছেন এখবর।
fisherman-647_040917051439তিনি জানান, কয়েকদিন আগে পোরবন্দর থেকে চারটি নৌকা করে যাত্রা শুরু করেছিল ওই ২৩ জন মৎস্যজীবী। তাদের আটক করে করাচিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন লোধানি।
গত ৯ এপ্রিল পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি ( Pakistan Maritime Security Agency)-র একটি নৌকা আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে তখন পাক নৌসেনাকে বাঁচিয়েছিল ভারতীয় মৎস্যজীবীরা।
আরব সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমা বরাবর মাছ ধরতে গিয়ে প্রায়ই অনিচ্ছাকৃত সীমান্ত পারাপারের ঘটনা ঘটে৷ ভারত ও পাকিস্তানি মৎস্যজীবীরা ধরা পড়েন দুই দেশের উপকূল রক্ষীদের হাতে৷ আরব সাগরের বিতর্কিত স্যার ক্রিক এলাকা থেকে এই জলসীমা শুরু৷

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের সামনেই ২০ বাড়িতে লুটপাট

খোকসায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপস্থিতিতে মসজিদ থেকে মাইকিং করে এক ইউপি মেম্বারের সমর্থকদের ২০টি বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজ করেছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। হামলায় ২৩ নারী-পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গ্রামের ভেতর দিয়ে দ্রুত মোটরসাইকেল চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরাজিত ইউপি মেম্বার প্রার্থী ফারুকের সমর্থক এনজিও কর্মী রাকিবের ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষ জহুরুল মেম্বারের লোকেরা। এ ঘটনার নিষ্পত্তির জন্য ২৬শে এপ্রিল, বুধবার উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বাবলু ওসমানপুর কলতলা গ্রামে সালিশ বৈঠকে বসেন।
toaএ সময় চেয়ারম্যানের গ্রাম দেবীনগরের মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দিয়ে জহুরুল মেম্বারের লোকদের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজ চালানো হয়। হামলাকারীরা আবদুস সালাম, রিপন, সোবাহান, শাজাহান, ময়েন, আবু তালেব, মুক্তার, হাসান, মতিন, হেকমত আলীর বাড়িসহ ২০টির বেশি বাড়ির দরজা-জানালা ও টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে সাব্বির, শাজাহান, রজব আলীসহ ৮ জনকে খোকসা ও কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জহুরুল মেম্বার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে কৃষক লীগ সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান পরিকল্পিতভাবে মাইকিং করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রথমে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির পর লুটতরাজ করে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এদিকে কৃষক লীগ সভাপতি ও ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বাবলু দাবি করেছেন, মূলত বিরোধ জহুরুল মেম্বার ও তার প্রতিপক্ষ ফারুকের মধ্যে। দু’পক্ষ ফোন করে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। গুজবকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের গ্রাম দেবীনগর মসজিদের মাইক থেকে তাকে উদ্ধারের জন্য ঘোষণা দেওয়া হয় বলে তিনি স্বীকার করেন।
খোকসা থানার এসআই হুমায়ন রেজা হামলা ও ভাংচুরের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে মাইকিং করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। হামলার সময় তিনি ও কয়েক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান।

ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করায় সৌদি তরুণের মৃত্যুদণ্ড

সৌদি আরবে ধর্মত্যাগ করার কারণে এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির এক আদালত। এ নিয়ে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে। খবর আরটি নিউজের।ঐ তরুণের বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষণায় সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ সমবেদনা বা দুঃখ প্রকাশ করছেন আবার কেউবা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গত ২৫ শে এপ্রিল, মঙ্গলবার আহমাদ আল সামরি নামে ঐ তরুণের আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। ‘নাস্তিক্যবাদ এবং ধর্ম অবমাননা’র দায়ে গত তিন বছর ধরে কারাভোগ করছেন তিনি।২০ বছর বয়সী আল সামরি সৌদির উত্তরাঞ্চলের শহর হাফর আল-বাতিনে বসবাস করতেন। তিনি ইসলাম ত্যাগ করেছেন এবং তার মতাদর্শের বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করেছেন। ২০১৪ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত।মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে গতকাল তার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়। আদালতের রায়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তুমুল হৈচৈ পড়ে যায়। কেউ সামরির পক্ষে আবার কেউবা বিপক্ষে মন্তব্য প্রকাশ করে।অনেকে সৌদি আরবের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সৌদি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল(ইউএনএইচআরসি)’র সদস্য। তাছাড়া গত ২৩শে এপ্রিল, রবিবার তারা জাতিসংঘের নারী অধিকার কমিশনেরও সদস্য হয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়াতে কয়েকজন বলেছেন, ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সৌদি আরব দ্বৈত নীতি অনুসরণ করছে।টুইটারে অনেকে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে বিশ্ব সচেতনতা তৈরিতে সামরির পক্ষে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। আবার অনেকে এ শাস্তিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, ইসলাম ত্যাগের জন্য এ শাস্তিই ঠিক আছে।রাহাব নামে একজন নারী টুইটারে লিখেছেন, ‘সৌদি আরব বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দাবি করেছে, তারা সব ধরনের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করে। অথচ আজকে একজন ধর্মত্যাগ করায় মৃত্যুদণ্ড দিল।’আরেকজন লিখেছেন, সামরি কিছুই করেননি। তিনি কাউকে আঘাত করেননি, আপনারা তাকে হত্যা করছেন এর কারণ তিনি ভিন্নভাবে থাকতে চেয়েছিলেন।